• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৮ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলফামারীতে তিন দিনের ইজতেমা শুরু ভোটের দিনে লিফলেট বিতরণের দায়ে জামায়াত নেতার অর্থদন্ড নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী”

শিশুরা কেন হাসে?

hasiলাইফস্টাইল ডেস্ক: শিশুর হাসিতে পৃথিবীর সবচেয়ে দুখী মানুষের মুখেও খুশির আভা ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু কেন শিশুরা হাসে?
এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে নেমেছেন ড. ক্যাসপার অ্যাডিম্যান। লন্ডন বারবেক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ব্রেইন অ্যান্ড কননিটিভ ডেভেলপমেন্টের (বেবিল্যাব) রিসার্চ ফেলো এই ভদ্রলোক কেন শিশুরা হাসে তা জানতে বিশাল এক সমীক্ষার আয়োজন করেছেন।
ড. অ্যাডিম্যান ডেইলি মেইলকে জানিয়েছেন, ‘শিশুদের বোঝতে পারলে বড়দেরও বোঝা সহজ হবে। শিশুরা ক্ষুদে বিজ্ঞানী। তারা এই দুনিয়া আবিষ্কার করে চলেছে। আর তাদের মাধ্যমে আমরাও অনেক কিছু জানতে পারি।’
অ্যাডিম্যান ছিলেন ব্যাংকার। পরে মনোতত্ত্ববিদ হয়েছেন। মজার ব্যাপার হলো তার কিন্তু কোনো শিশু নেই। কিন্তু শিশুরা কেন হাসে, তা জানার কাজে তহবিলের যোগানও দিচ্ছেন তিনি। শিশুরা কেন হাসে- এই প্রশ্ন লিখে তিনি মা-বাবাদের কাছে প্রশ্নপত্র পাঠাচ্ছেন। তাদের কাছে তাদের শিশুদের হাসি নিয়ে ভিডিও চেয়েছেন।
এখন পর্যন্ত ২৫টি দেশের ১৪ শ’ মা-বাবা তার প্রশ্নের জবাব দিয়েছেন। তারা জানিয়েছেন, তাদের শিশু কখন হাসে, কতক্ষণ হাসে, কোন খেলনা দেখে হাসে, কোন ছড়া শুনে হাসে।
তিনি বলেন, ৯০ ভাগ শিশু তাদের জন্মের প্রথম দুই মাসের মধ্যেই মুচকি হাসি দেয়, আর এর পরের কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তারা খিলখিল করে হাসে। তিনি জানান, কিছু কিছু শিশুর খবর পাওয়া গেছে, যারা তাদের জন্মের প্রথম ১২ মাসে মোটেই হাসে না। এতে বোঝা যায়, শিশুদের মেজাজ-মর্জি নানা রকম হয়।
সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, ছেলেশিশুরাই বেশি রসবোধসম্পন্ন থাকে। মা-বাবারা জানিয়েছেন, তাদের ছেলেরা দিনে প্রায় ৫০ বার হাসে, আর মেয়েরা মাত্র ৩৭ বার।
তিনি বলেন, হাসি হলো সবচেয়ে প্রধান সামাজিক বিষয়। সাহচর্যে থাকলে আপনিও হাসবেন।
অ্যাম্যিান জানান, সবচেয়ে পরিষ্কারভাবে যে বিষয়টি বোঝা গেছে তা হলো আপনি কী করছেন, সেটা বড় কথা নয়, বড় কথা হলো আপনি কিভাবে শিশুর সামনে তা উপস্থাপন করছেন। আর সেটাই তাদেরকে খুশি করে।
জন্মের প্রথম বছরে হাসি আর কান্নাই শিশুদের ভাব আদান-প্রদানের একমাত্র পথ। ড. অ্যাডিম্যান জানান, কান্নার মাধ্যমে শিশুরা জানায় যে তারা বর্তমান অবস্থার পরিবর্তন চায়। আর হাসির মাধ্যমে তারা ঠিক বিপরীত বক্তব্যই প্রকাশ করে, অর্থাৎ যা করছিলেন, করে যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ